আমরা বিশ্বাস করি, গেমিং শুধু বিনোদন নয় — এটি একটি অভিজ্ঞতা। সেই অভিজ্ঞতাটাই বাংলায়, বাংলাদেশি মানুষের বোঝার মতো করে দেওয়াটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
আমাদের গল্প
২০২২ সালের শেষের দিকে, কয়েকজন তরুণ উদ্যোক্তার মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরছিল — বাংলাদেশে এত মানুষ অনলাইন গেমিং পছন্দ করেন, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে এবং বাংলাদেশের বাস্তবতার সাথে মেলে না। সেই ফাঁকটা পূরণ করতেই জন্ম হলো karikya apps-এর।
শুরুটা ছিল শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে, মাত্র কয়েকশো সদস্য নিয়ে। কিন্তু মানুষের সাড়া এতটাই ভালো ছিল যে মাত্র তিন মাসের মধ্যে হাজারের বেশি নিবন্ধন হয়ে গেল। সেই থেকে পেছনে ফিরে তাকানো হয়নি। আজ karikya apps বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মানুষ ব্যবহার করছেন — ঢাকার মিরপুর থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র পাড়, সিলেটের চা বাগান থেকে বরিশালের নদীপাড় পর্যন্ত।
karikya apps তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষ যেন তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের পরিচিত খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন। বিকাশ, নগদ, রকেট — এগুলো এখন প্রতিটি বাংলাদেশির দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই পেমেন্টের জন্য আলাদা কোনো কার্ড বা জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই যেন খেলা যায়, সেটাই নিশ্চিত করা হয়েছে।
আমাদের দলে আছেন প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ, পেমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এবং গ্রাহক সেবা প্রতিনিধি — সবাই মিলিয়ে এই প্ল্যাটফর্মটি দিনে দিনে আরও উন্নত হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের প্রতিটি ফিডব্যাক আমাদের কাছে মূল্যবান। karikya apps কখনো "যা আছে তাতেই সন্তুষ্ট" — এই মানসিকতায় বিশ্বাসী নয়। প্রতিটি আপডেটে কিছু না কিছু নতুন যোগ হয়, কিছু না কিছু আরও সহজ হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, karikya apps শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। বিনোদন মানুষের জীবনে আনন্দ আনে, কিন্তু সেই আনন্দ যেন কখনো বোঝা না হয়ে ওঠে। তাই ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইমার ও সেলফ-এক্সক্লুশন — এই সব টুল শুরু থেকেই প্ল্যাটফর্মে রাখা হয়েছে।
কেন আলাদা আমরা
এই বৈশিষ্ট্যগুলোই karikya apps-কে অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে।
karikya apps-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় — মেনু থেকে গেম নির্দেশিকা, পেমেন্ট নোটিফিকেশন থেকে সাপোর্ট চ্যাট পর্যন্ত সব কিছু। ইংরেজি না বুঝলেও কোনো সমস্যা নেই।
মাত্র ৳২০০ থেকে বিকাশে ডিপোজিট, গড়ে ৫ মিনিটে উইথড্র। কোনো আন্তর্জাতিক কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন নেই। karikya apps সত্যিকার অর্থেই মোবাইল-ফার্স্ট।
ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি — ম্যাচ চলাকালীন অডস আপডেট হয় সেকেন্ডে সেকেন্ডে। lাইভ স্কোর ও স্ট্রিম দেখতে দেখতে বেট করার সুবিধা karikya apps-এর বড় শক্তি।
SSL ২৫৬-bit এনক্রিপশন, দুই স্তরের লগইন সুরক্ষা এবং KYC যাচাই — এই তিনটি মিলিয়ে karikya apps-এ আপনার অ্যাকাউন্ট ও টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
karikya apps-এর APK মাত্র ১৮MB — পুরনো ফোনেও চলে, ধীর নেটওয়ার্কেও সমস্যা নেই। ৩G সংযোগে সিলেটের চা বাগান থেকেও স্বাভাবিকভাবে খেলা যায়।
যেকোনো সমস্যায় লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন — গড় প্রতিক্রিয়া সময় ৯০ সেকেন্ড। রাত ৩টায়ও সাপোর্ট টিম প্রস্তুত থাকে।
আমাদের যাত্রা
karikya apps-এর প্রতিটি মাইলফলক ছিল একটি শিক্ষা। ব্যবহারকারীদের সাড়া, তাদের সমস্যা এবং তাদের পরামর্শ থেকেই আমরা বড় হয়েছি।
মূল্যবোধ
আমাদের দল
একটি ছোট কিন্তু নিবেদিতপ্রাণ দল — প্রতিটি সদস্য বাংলাদেশি গেমারদের সেরা অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য কাজ করে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা